যিনি এই লাল-সবুজ পতাকা দিয়ে গেছেন তিনি হলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-স্পিকার

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক। যিনি এই স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ, লাল-সবুজ পতাকা দিয়ে গেছেন তিনি হলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েছেন অদম্য সাহস নিয়ে। তিনি জীবনের পরোয়া করেননি। কোনো পদ-পদবির লোভ না করে তিনি গভীরভাবে ভালোবেসেছেন এই দেশ, মানুষ ও আওয়ামী লীগকে। জেল-জুলুম-নির্যাতন সহ্য করে তিনি দলকে সংগঠিত করেছেন। তবুও অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি। এ সময় বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করতে দলের তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। সংসদের গণসংযোগ বিভাগ জানায়, ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গতকাল রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘দোয়া ও আলোচনা সভায়’ তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতিকে গভীরভাবে ভালোবাসতেন বলেই এ জাতির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তির জন্য আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব ছিলেন তাঁর ছায়াসঙ্গী। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও বেগম মুজিব, তাদের দুই পুত্র, দুই পুত্রবধূ ও শিশু শেখ রাসেলকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তিনি আরও বলেন, তাঁর সাহস, আপসহীনতা, দেশপ্রেম ও মানুষের জন্য ভালোবাসা- এই গুণগুলোকে আমরা ধারণ ও বাস্তবায়ন করতে পারলেই বঙ্গবন্ধুর প্রতি পরিপূর্ণ সম্মান জানাতে পারব। স্পিকার বলেন, ‘১৯৮১ সালে দলের হাল ধরে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করেছেন। এই দুঃসময় ও ত্যাগ-তিতিক্ষার কথা মনে রেখে আমাদের সবাইকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে কাজ করে যেতে হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান রানা। সভা শেষে হাফেজ রফিকুল দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।