পরিত্যক্ত ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে জনজীবন বিষিয়ে উঠেছে পৌরবাসীর।

নোয়াখালী পৌরবাসীর পরিত্যক্ত ময়লা-আবর্জনা ও নালা-নর্দমার দুর্গন্ধে জনজীবন বিষিয়ে উঠেছে। যেখানে সেখানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে পরিত্যক্ত ময়লা-আবর্জনা। অথচ পরিবেশ দূষণ রোধে কারও কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌরবাসীর পরিত্যক্ত ময়লা-আবর্জনা রাখার নির্দিষ্ট জায়গা নেই। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এলাকার ত্রিকোণী দিঘির পশ্চিম-দক্ষিণ পাশে পৌরসভার নির্ধারিত ডাস্টবিন ও এর আশেপাশে ময়লা-আবর্জনা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার কোনো বালাই নেই।

শহরের সচেতন নাগরিকরা জানান, গত ক’দিন ধরে পৌরবাজার, জেলা জামে মসজিদ মোড় ও পৌর এলাকার বেশিরভাগ জায়গায় পচাগলা ফলমূল, শাকসবজিসহ বিভিন্ন বর্জিত ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে তাদের নাভিশ্বাস দেখা দিয়েছে। বিষাক্ত গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছেন তারা। তারা অভিযোগ করছেন, পৌর প্রশাসন এসব ময়লা-আবর্জনা সরিয়ে নিচ্ছেন না।

পৌর প্রশাসন দাবি করছে, নোয়াখালী পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট কোনো জায়গা বা স্থান না থাকায় পৌর এলাকার ময়লা-আবর্জনা অপসারণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। অতীতে যারা পৌরপালের দায়িত্ব পালন করেছিলেন তারা কখনও ভাবেনি ভবিষ্যতে পৌর এলাকার পরিত্যক্ত ময়লা আবর্জনা কোথায় অপসারণ করা যাবে।

অবশ্য একটি সূত্র দাবি করছে, পৌর মেয়র শহিদ উল্যাহ খান ও স্থানীয় আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জের হিসেবে পৌরবাসী এ অসুবিধার শিকার হচ্ছে।

মেয়র বলেছেন, পৌরবাসীর পরিত্যক্ত ময়লা আবর্জনা আগের মেয়রের আমল থেকে অশ্বদিয়া ব্রিজের কাছে একটি পরিত্যক্ত জায়গায় ফেলা হচ্ছে। তিনি আসার পর নতুন করে জায়গা খুঁজছেন, কোথায় ফেলা যায়। কিন্তু জায়গা সংকুলান না হওয়ায় একই স্থনে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। এ নিয়ে ইতিপূর্বে কোনো স্থানীয় নাগরিক কিছুই বলেননি। নাগরিক সমাজের অসুবিধার কথা ভেবে পৌর কর্তৃপক্ষও ওই ময়লাগুলো জ্বালিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু হঠাৎ কে বা কারা এলাকাবাসীকে ইন্ধন দিয়ে এ কাজটি বন্ধ করে দিয়েছেন এ বিষয়ে তার কিছু জানা নেই।