দিন দিন মেধা শূণ্য হচ্ছে চাটখিল, কমছে শিক্ষার হার!

চাটখিলে জন্ম নিয়েছিলেন বাংলাদেশর একজন খ্যাতি সম্পূন্ন বুদ্ধিজীবী ও জাতীয় অধ্যাপক মুনির চৌধুরী, তার ছোট ভাই ‌অধ্যাপক কবির চৌধুরী। জন্ম নিয়েছেন বাংলাদেশ সরকার তথা জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের অত্যন্ত স্নেহের ব্যক্তিত্ব রফিক উল্যা চৌধুরী। নোয়াখালী জেলার এই ছোট্ট উপজেলা চাটখিলে জন্ম নিয়েছিল বিশিষ্ট্য অধ্যাপক বাংলাদেশ তথা আন্তর্জাতিক মানের অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহেদ উদ্দিন মাহমুদ, মুক্তিযোদ্ধে অন্যতম ব্যক্তিত্ব মাহমুদুর রহমান বেলায়েত। এই চাটখিলের মাটিতেই জন্ম নিয়েছেন এ্যাড. মাহবুবুর রহমান যিনি ছিলেন বাংলাদেশ সরকার এবং দেশের একজন সফল শিক্ষামন্ত্রী। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্প্রিকার শিরিন শারমিন তার গ্রামের বাড়িও চাটখিলে। এই চাটখিলে জন্মেছিলেন বিখ্যাত অনেক ব্যক্তি যারা শুধু দেশে নয় বিদেশেও তাদের রয়েছে জনপ্রিয়তা। দেশের প্রতিটি ক্ষেত্র যাদের রয়েছে অনন্য আবেদন। নোয়াখালী জেলার সবচাইতে ছোট উপজেলা চাটখিল হলেও শিক্ষা এবং দেশের খ্যাতিনামা ব্যক্তিদের মধ্যে বেশির ভাগই ছিল চাটখিল উপজেলার। কিন্তু সেই চাটখিল তার ঐতিহ্য হারাচ্ছে সন্ত্রাসীদের বুলেটের কাছে। সাধারন মানুষ জিম্মি কিছু রাজনীতিবিদ নামক নষ্ট লোকদের কাছে। কথায় কথায় মানুষ খুন, হচ্ছে গুম নয়তো জিম্মি করে মুক্তিপন আদায়। খুন, গুম আর মুক্তিপন যেমন আশংঙ্খা হারে চাটখিলে বৃদ্ধি পাচ্ছে তেমনি আশংঙ্খা হারে কমে যাচ্ছে চাটখিলের শিক্ষার হার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাধ্যমে পাওয়া তথ্যনুশারে গত কয়েক বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীর ভর্তির জরিপ জানা যায়, ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিভাগে চাটখিলে ২৩জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হয়েছে, ২০০৯-১০ সালে ১৯জন, ২০১০-১১ সালে ১১ জন, ২০১১-২০১২ সালে ৫জন এবং সর্ব শেষ ২০১২-১৩ ইং শিক্ষাবর্ষে মাত্র তিন জন ছাত্র-ছাতী ভর্তি হয়েছে। এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকের তালিকায় অধ্যাপক মুনির চৌধুরী, কবির চৌধুরী, ড.ওয়াহেদ উদ্দিন মাহমুদ, ড. আবুল খায়ের, ড. মুনতাছের বিল্লাহ সহ সুনামধন্য শিক্ষক হিসেবে নাম থাকলেও। ২০১০ সালে সেপ্টেম্বরের ২ তারিখে আরবি বিভাগে অধ্যক্ষ হিসেবে বেল্লাল হোসাইনের পরে আর কেউ শিক্ষকের খাতায় নাম লেখাতে পারে নাই। শিক্ষাহার কমে যাওয়া আর সন্ত্রাসীদের আস্তনা চাটখিল কি দিন দিন মেধা শুন্য হতে থাকবে এমন প্রশ্নই এখন সচেতন মহলের।