চাটখিল বাজারের ব্যাংক গুলোতে মানুষের ঢল

স্টাফ রিপোর্টার : পৌরসভার চাটখিল বাজারের ব্যাংকগুলোতে লক ডাউন এর কারণে গত কয়েকদিন থেকে সপ্তাহে দু’একদিন করে খোলা হয়। তাও আবার সকাল দশটা থেকে দুইটা পর্যন্ত ব্যাংকগুলো খোলা থাকে। এতে করে গ্রাহকের অধিক পরিমাণ চাপ থাকায় ব্যাংকগুলো হিমশিম খাচ্ছে গ্রাহক সেবায়। একদিকে ব্যাংক কর্মকর্তা গুলো ব্যস্ত অন্যদিকে মানুষের মাঝে সামাজিক দূরত্ব থাক দুরের কথা একজন যেন আরেকজনের উপর উঠে বসবে। এই চিত্র চাটখিল বাজারে অনেকগুলো ব্যাংকের। বেসরকারি ব্যাংকগুলো মানুষের লেনদেন করতে যতটুকু হিমশিম খাচ্ছে তেমনি সরকারি ব্যাংকগুলোতে বিধবা ভাতা, বৃদ্ধ ভাতা এবং মানুষের পেনশন সব তুলতে হয় বলেই সেখানেও মানুষের ঢল। চাটখিলে অবস্থিত সরকারি ব্যাংক রূপালী, সোনালী এবং কৃষি ব্যাংক এদের শাখাগুলোতে জায়গা কম থাকায়। বিভিন্ন সেবা গ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গ ব্যাংক থেকে শুরু করে রাস্তা পর্যন্ত বিশাল সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। অন্যদিকে ব্যাংক এশিয়ার অবস্থা আরো খারাপ,সেখানে মানুষ দাবার ঠাঁই নেই। তাই মানুষ বাধ্য হয়ে বিশাল সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। কখন যে এসব সমস্যার সমাধান হবে তার সঠিক হিসাব নেই কারো কাছেই। তবে আমরা সবাই আছি সরকার ঘোষিত লক ডাউন এ । করোনার মত মহামারী থেকে পরিত্রাণ পেতে সবাই যখন লকডাউন এ
আছে তখন কিছু সরকারি বেসরকারি ব্যাংকের গ্রাহকের উদাসীনতা আমাদেরকে কি ঝুঁকিতে ফেলছে না?