চাটখিল নির্মানাধীন ফায়ার স্টেশনে নেশাখোরদের আড্ডা

চাটখিল উপজেলার ফায়ার স্টেশনের নির্মাণ কাজ ৪ বছরেও শেষ হয়নি। অভিযোগ রয়েছে ঠিকাদার ও কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা ও গাফিলতির কারণে নির্দিষ্ট সময়ে নির্মাণ কাজ শেষ করা যায়নি। বর্তমানে নির্মিত ফায়ার স্টেশনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পরিত্যক্ত থাকায় তা নেশাখোরদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যার পর পরই বসে গাঁজার আসর। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর অভিযোগ ঠিকাদার নির্মাণ কাজ শেষ না করায় তৈরিকৃত ভবনে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে। জানা যায়, ২০১৩ সালে ৬ মার্চ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমটিএই (জেবি) রামগঞ্জ বাজার ১ কোটি ৪৪ লাখ ২৭ হাজার টাকায় চাটখিল ফায়ার স্টেশন নির্মাণের কাজ পায়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শুরু করে। চাটখিল উপজেলা ভূমি অফিস ১১৩নং পরকোট মৌজায় ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত ৩৩ শতাংশ ভূমি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এ স্থায়ী বন্দোবস্ত প্রদান করে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক আহমেদ হোসেন জানান, নির্মাণ কাজের প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। তবে রাস্তার কাজ টেন্ডারে উল্লেখ না থাকায় কর্তৃপক্ষ রিভাইস ইস্টিমেট করে অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেছে। ওই রিভাইস ইস্টিমেট মন্ত্রণালয়ে থেকে এখনও অনুমোদিত হয়নি। অনুমোদন পেলে কাজ অল্প সময়ের মধ্যে শেষ করা যাবে বলে ঠিকাদার জানান। এ ব্যাপারে নোয়াখালীর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী একিউএম শাহ জালাল মজুমদার জানায়, রিভাইস ইস্টিমেটের জন্য ২ কোটি ১৭ লাখ ৭০ হাজার টাকার প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। অনুমোদন পেলে শিগগিরই চাটখিল ফায়ার স্টেশনের কাজ শেষ হবে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বাহার আলম মুন্সীসহ এলাকাবাসী জানান, ফায়ার স্টেশনের কাজ শেষ না হওয়ায় বর্তমানের ওই ভবন নেশাখোরদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে।