চাটখিল উপজেলা আওয়ামীলীগে নেতা থেকে কর্মী পর্যন্ত শতাধীক অনুপ্রবেশকারী

স্টাফ রিপোর্টার ::  আওয়ামী লী‌গের বিভিন্ন পর্যায়ের কমিটিতে বিত‌র্কিত ও অনুপ্রবেশকারীরা স্থান করে নিতে না পারে সেজন্য তা‌দের তা‌লিকা ক‌রে‌ছে দল‌টি। এই তালিকা কেন্দ্র থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা নেতা‌দের কা‌ছে দেয়া হ‌চ্ছে। জাতীয় বিভিন্ন মিডিয়ার খবরে জানাযায়, গত ৩১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপু‌রে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির সম্পাদকমন্ডলি সভা শেষে এ কথা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
তি‌নি ব‌লেন, বিতর্কিত কোনো ব্যক্তি যাতে বি‌ভিন্ন পর্যা‌য়ের সম্মেলনে কমিটিতে স্থান করে নিতে না পারে, সেজন্য আমরা সতর্ক রয়েছি। নেতাকর্মীদের সেভাবে দিকনির্দেশনা দেয়া আছে।
আর এমন সংবাদে চাটখিলের অনেক নেতকর্মীর যায় যায় অবস্থা। চাটখিল তথা নোয়াখালী-০১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের গুরুত্ব বহন করে চাটখিল উপজেলার নেতাকর্মীদের রাজনীতি। কারণ, চাটখিল উপজেলাতে আওয়ামীলীগের বর্তমান সংসদ এইচ এম ইব্রাহিম ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী ও নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলমের বাড়ি। দুই নেতাকে কেন্দ্র করে চাটখিল উপজেলায় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দুটি গ্রুপের জন্ম হয়েছে। দু্টি গ্রুপের যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নিজের দলকে ভারি করে দলের সিনিয়র নেতাকর্মীদের দেখানোর জন্য যে যেই ভাবে পেরেছে কর্মী বন্ধব করেছে দলকে। কিন্তু আসল কথা হলো এই চাটখিল উপজেলাতে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রতিক নৌকার চাইতে বিএনপির ধানের শীর্ষ এর লোকজন বেশি। আওয়ামীলীগের চাটখিল উপজেলা নিয়ে বিশেষ ভাবে খবর নিয়ে দেখা যায়, দুগ্রুপের বিশাল একটা অংশ অন্যদলে থেকে আসা। অনেকে বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত শুধু মাত্র দলকে কাজে লাগিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করছে। এদিকে আওয়ামীলীর দলীয় অনেক নেতাকে বিভিন্ন সময়ে জাষদের রাজনীতির সাথে দেখা গেলেও এখন আওয়ামীলীগে এসে গোঁফ তেল লাগিয়ে বসে আছে কখন আসবে সুযোগ নেতার মাথায কাঠাল ভাঙ্গার। এছাড়া আওয়ামীলীগে নেতারা বেশির ভাগেই বিদাশ ফেরত, মামলার আসামী, বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে যোগদান করা ইত্যাদি পদের। এরা আওয়ামীলীগের রাজনীতি কখনো করে নাই, সামনেও করবে বলে মনে হয়না।