চাটখিলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শতাধীক পৌর কাউন্সিল প্রার্থী!!!

মাইন্উদ্দিন বাঁধন: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিন-দিনই ভিত্তিহীন করে তুলেছে কিছু সংখ্যাক ব্যবহারকারী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সুফল হিসেবে ব্যবসায় বানিজ্যে এসেছে আমুল পরিবর্তন। এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই মানুষ প্রকাশ করে ব্যক্তিগত সুখ-দুখ। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারনে পেয়েছে ন্যায় বিচার। অনেকেই সংসার চালাচ্ছে এই সামাজিক যোগাযোগে ব্যবসা করে। কিন্তু কিছু অসাধু ব‌্যবহারকারি দ্বারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে উঠছে বিরক্তির কারণ। ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত চাটখিল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র হওয়ার পর থেকে মোহাম্মদ উল্যা পাটোয়ারী তাঁর সঠিক পরিচালনার কারণে আজও নিজের পায়ের দায়ি আছে পৌরসভার গৌরভ। সামনে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে পৌর নির্বাচন হওয়ার খবরে ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থীদের শুরু হয়েছে প্রচারণা। এই সুযোগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে কাউন্সিল প্রার্থী শতাধিক।
একজন কাউন্সিলরের কত টুকু দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হয় সেটা জানা নেই, ভোট করতে কত খরচ হয় সেটার হিসেব নেই, এমনকি কাউন্সিল হলে কি করতে হবে আর কি করা যাবে না, তার জ্ঞান নেই। এমন শতাধিক লোক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে আইডি খুলে বসে আছে। অনেকেই নিজের আইডির নাম দিয়েছে- সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীর সমার্থক!
চাটখিল ১ থেকে ৯টি ওয়ার্ডে ৯জন কাউন্সিলর নির্বাচিত হবেন। তবে এদের প্রয়োজন সামাজিক দায়বদ্ধতা, সমাজ পরিচালনার জ্ঞান। কিন্তু এদের সেই জ্ঞান টুকু আছে কিনা তা অনেকেই জানেনা।
চাটখিলের ২নং ওয়ার্ড বাসিন্দা আরিফুর রহমান চাটখিলবার্তাকে বলেন, আমাদের সমাজে একজন লোক একটি পরিবার চালনোর যোগ‌্যতা রাখেনা, তাঁরা কাউন্সিল প্রাথী এটা শুধু মাত্র সামাজিক অবক্ষয় ছাড়া আর কিছুই না।
চাটখিল পৌরসভার অনেক ভোটার মনে করেন, মেয়র সেন্ট্রালী কাজ করলেও ওয়ার্ড পর্যায়ে যোগ্য কাউন্সিলের বিকল্ল নেই। শুধুমাত্র টাকা আছে তাই ভোটের প্রয়োজন নেই, শুধু দলীয় পরিচয় কিংবা ক্ষমতার জোরে এদেরকে কাউন্সিল বানালে সেটার ফল ভোগ করতে হবে সাধারণ জনগণকেই।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যায়, চাটখিলের বিদেশ ফেরত, মুদি দোকানদার, চা দোকানদার, সাবেক রিক্সা চালক, সাধারণ কৃষক সহ অনেকেই এখন কাউন্সিলর প্রার্থী। হয়তো সময়ে কারণে এরা অনেকেই হয়ে যাবে কাউন্সিল। কিন্তু পৌরসভার জনগণের ভাগ্যকি বদলাবে? নাকি পৌরসভার কর পরিশোধ করেও আধুনিক পৌর সেবা পাওয়ার আশায় বসে থাকবে জনগণ!!