চাটখিলে শালিস বৈঠকে সন্ত্রাসী হামলা ফাকা গুলি ছুড়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শন খবরের প্রতিবাদ

গত ১৮ ই এপ্রিল ২০১৭ ইং তারিখে ফে্ইজ বুক সহ চাটখিলের কিছুুু অনিবন্ধিত অনলাইনে ” চাটখিলে শালিসী বৈঠকে সন্ত্রাসী হামলা, ফাকা গুলি ছূড়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শনের একটি পোষ্ট আমি আলমগীর হোসেন লিটন ও আমার ছোট ভাই ওয়াসীম রাব্বানী শিপনের দৃৃষ্টিতে পড়েছে। বিষয়টির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আমি সত্য ঘটনাটি চাটখিলের জন্যপ্র্রিয় ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ মাধ্যমে দৈনিক চাটখিলবার্তার মাধ্যমে আপনাদের মাধ্যমে তুুলে ধরার চেষ্টা করছি। আমাদের নিয়ে যে পোষ্টটি প্রচার করা হয়েছে তা উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে প্রচার করা হচ্ছে। মূল ঘটনাকে আড়াল করে ইসলামপুর এলাকার চিহৃিত সন্ত্রাসীদের পক্ষে একতরফা কিছু অতি উৎসাহী ব্যক্তি সংবাদটি প্রকাশ করছে । মুলঘটনাটি হচ্ছে, ইসলামপুর মুরাইমের সাবেক মেম্বার ও দলিল লেখক আবুল কালাম ও তার ছেলেদের সহিত পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছে, সেই জের ধরে বড় ভাবী কে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে মা-বাবার প্রত্যক্ষ সমর্থনে ছোট ছেলে ওয়াসীম রাব্বানী শিপন প্রথম স্ত্রী মারজান আক্তারের সহিত উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। পরবর্তীতে শিপন বদলকোট গ্রামে তানিয়া আক্তার পুস্পার সহিত ২য় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়, বিবাহের পর থেকে শিপনের বড় ভাবী মমতাজ আরা পান্নার প্ররোচনায় দলিল লেখক কালাম মেম্বার ও তার বড় ছেলের স্ত্রী অর্থাৎ বড় ভাড়ি সহ যোগ সাজসে পুস্পার পরিবার থেকে যৌতুক নেওয়ার জন্য শিপনকে চাপ প্রয়োগ করে, বিষয়টি শিপন বুঝতে পারে। এদিকে শিপনের স্ত্রী পুস্পার পক্ষে যৌতুক দেওয়ার ক্ষমতা না থাকায় এবং শিপন স্ত্রীর পক্ষ নেওয়ায় ভাবী মমতাজ আরা পান্না, বাবা আবুল কালাম, মাতা সামছুন নাহার একত্রি হয়ে শিপন, শিপনের স্ত্রী ও পুত্রকে বাড়ী থেকে বের করে দেয়। এছাড়া শিপনের মেঝ ভাই আলমগীর হোসেন লিটন তার প্রবাসে থাকা কালীন সময় পিতার নিকট পাঠানোর টাকার হিসেব চাইলে লিটন ও তার স্ত্রীকে বাড়ী থেকে বের করে দেয়। এক পর্যায় যৌতুক লোভী কালাম মেম্বার বড় ছেলে ও তার স্ত্রী ব্যাতীত বাকী ৩ পুত্র ও ১ কন্যাকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করবে বলে ঘোষনা দিলে পারিবারিক বিরোধ চরম পর্যায়ে দেখা দেয় এবং শালিসী বৈঠকের মাধ্যমে বিরোধ নিস্পত্তির লক্ষ্যে ছোট ছেলে ওয়াসীম রাব্বানী শিপন গত ৮/৪/২০১৭ ইংতারিখে তার স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে বাড়ীতে আসলে দেখে তার ভাবীর প্ররোচনায় মাতা সামছুন নাহার ঘরে তালা দিয়ে রাখে। শিপন মায়ের নিকট চাবি চাইলে মাতা চাবী দিতে অস্বীকৃতি জানায়, এক পর্যায় মায়ের সাথে কথা কাটাকাটিতে বড় ভাবী ও ভাতিজী এসে হাতা হাতি শুরু করলে মাতা সামছুন নাহার পড়ে গিয়ে আহত হন। ইতিমধ্যে সালাউদ্দীন কাদের এসে শিপনকে আঘাত করলে শিপন নিজকে রক্ষার্তে সালাউদ্দিনকে ঘুষি দিলে সালাউদ্দীন নাক ফেটে যায়। এদিকে শিপন ভয়ে ঘরে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেয়, এই দিকে আগে থকে ওৎ পেতে থাকা সালাউদ্দীনের সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য রাশেদ, মোরশেদ, হাফেজ, মাসুদ, মামুন সহ ৭/৮ জন সন্ত্রাসীসহ শিপনের ঘরের তালা ভেঙ্গে কাদের, রাশেদ শিপনের স্ত্রীকে ধর্ষনের চেষ্ঠা করে, যা চাটখিল উপজেলা স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সে রিপোর্টে তানিয়া আক্তার পুস্পার ২ স্তনে জখমের ছিন্ন দেখা যায়। শিপনকে বেদম প্রহার করে তার স্ত্রী সন্তানকে অবরুদ্ধ করে রাখে পরে শিপনের শশুর পক্ষের লোকজন এসে শিপনের স্ত্রী সন্তানকে উদ্ধার করে নিয়ে সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে। বিষয়টি নিয়ে চাটখিল থানায় আইনের আশ্রয় চাইলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চাটখিল থানা ঘটনাটি মিমাংসা করার জন্য বদলকোট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোলায়মান শেখ এম,এ কে দায়িত্ব দিলে ঘটনাটি মিমাংসার লক্ষ্যে গত ১১/৪/২০১৭ ইং তারিখে স্থানীয় ইসলামপুর বাতা মার্কেটের শালিসী বৈঠক সংঘটিত হয়। শালিসী বৈঠকে দলিল লেখক কালাম মেম্বার ও তার স্ত্রী সামছুন নাহার ও পুত্র যথাক্রমে আলমগীর হোসেন লিটন,ওয়াসীম রাব্বানী শিপন সহ সকলের জবানবন্দী গ্রহন করার পর প্রায় চুড়ান্ত রায়ের পর্যায় যখন তখন সালাউদ্দীন কাদেরের পূর্ব পরিকল্পিত অবস্থায় শালিসী বৈঠক ভুন্ডল করার জন্য চেয়ারম্যানের সাথে বাক বিতন্ডায় লিপ্ত হলে উপজেলা ছাত্রলীগের সম্ভাব্য সভাপতি লায়ন স্বপন প্রতিবাদ করে। সালাউদ্দীন কাদের কাহারো কোন বিষয়ে তোয়াক্কা না করে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে ঘটনার স্থান ত্যাগ করে।