চাটখিলে বাল্যবিয়ে বন্ধ করে মেহমানদের খাবার এতিম খানায়!

চাটখিল উপজেলার পরকোট দশগরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। গায়ে হলুদ থেকে শুরু করে বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ পর্যায়ে।

বুধবার রাতে কনের বাড়িতে নির্মাণ করা আলিশান গেটে তারা বাতি জ্বলছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ বিয়ের জন্য ভোর থেকে রান্না শুরু হয়ে গেছে।

এদিকে বাল্য বিয়ের খবর পেয়ে রাত ৮ টার দিকে ইউএনও দিদারুল আলম স্থানীয় চেয়ারম্যান বাহার আলম মুন্সী ও মেম্বারকে বাল্য বিয়ে বন্ধ করার জন্য কনের বাড়িতে পাঠান। কিন্তু এর পরও কনের বাবা প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন করেন।

খবর পেয়ে ইউএনও দিদারুল আলম বৃহস্পতিবার সকালে কনের বাবা, ছেলের বাবা, ইউপি চেয়ারম্যান, প্রধান শিক্ষক ও ওয়ার্ড মেম্বারকে নিজ কার্যালয়ে ডেকে আনেন। এ সময় মেয়ের বাবা তার ভুল স্বীকার করে মেয়েকে ১৮ বছর পূর্ণ না হলে বিয়ে দিবে না বলে অঙ্গীকার করেন।

পরে উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আলী ও সমাজ সেবা কর্মকর্তা সুমাইয়া আক্তার ও স্থানীয় মেম্বার বিয়ে বাড়িতে গিয়ে ৩০০ মেহমানের জন্য রান্না করা খাবার কয়েকটি এতিম খানায় বিতরণ করে দেন।