চাটখিলে জুয়েলারী ব্যাবসার আড়ালে দাদন ব্যাবসা রমরমা !!

Tue, May 29th, 2012 -এ প্রকাশিত চাটখিলে দাদন ব্যাবসা রমরমা আকার ধারণ করছে। কতিপয় ব্যাক্তি জুয়েলারী ব্যাবসার আড়ালে প্রকাশ্যেই এ ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া এলাকার মহাজন শ্রেণীর লোকজনও চড়াসুদে এ ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে। উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মধ্যে ছোট বড় প্রায় দেড় শতাধিক জুয়েলারী দোকান গজিয়ে উঠেছে । স্বর্নের দোকান গুলোর অধিকাংশতেই স্বর্ণালংকার বেচা-কিনা হতে দেখা না গেলেও আড়ালে জমজমাট ভাবে চলছে চড়া সুদে দাদন ব্যাবসা। স্থানীয় জনসাধারণের মতে, উপজেলার স্বর্ণের দোকান গুলোর দাদন ব্যাবসাই তাদের মুল ব্যবসা। জন সাধারণ তড়িৎ অর্থ সংকট মেটাতে চড়া সুদে স্বর্ণালংকার বন্দক রেখে টাকা ধার নিয়ে থাকে। এদিকে দাদন ব্যাবসায়ীদের ফাঁদে পড়ে বন্দক দেওয়া স্বর্ণালংকার হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে লোকজন। চাটখিলের মোরশেদ আলম জানান, স্বর্নের দোকান গুলোর কাজই দাদন ব্যাবসা। আবার অধিকাংশ জুয়েলারী শুধু দাদন ব্যাবসায় নয় এর আড়ালে চালিয়ে যাচ্ছে হুন্ডি ব্যাবসাও এমন অভিযোগ স্থানীয় লোকজনের। এর ফলে সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব। এসব দাদন ব্যাবসায়ীদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন কতৃকক্ষ কার্যতঃ কোন প্রদক্ষেপ নিতে দেখছেনা স্থানীয় লোকজন। এদিকে উপজেলার সবচেয়ে বেশী স্বর্ণের দোকান রয়েছে পৌর সদরে চাটখিল বাজারে। অপরদিকে খিলপাড়া, দশঘরিয়া, পাল্লা, সাহপুর, বদলকোট সহ প্রায় বিভিন্ন মার্কেটেও গড়ে উঠেছে স্বর্ণের দোকান। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, অধিকাংশ স্বণের দোকানই সরকারী কোন নয়ম নীতি ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে । এলাকার জনৈক মহসিন মিয়া জানায়, এলাকার মহজন শ্রেণীর লোকজন স্বর্ণ ব্যাবসার আড়ালে দাদন ব্যাবসা চালিয়ে গেলেও চাটখিলের প্রশাসন কোন হস্তপে করছে না।