চাটখিলে জনসমাগম চরমে, কিছুতেই মানছেনা সামাজিক দূরত্ব

মাইনউদ্দিন বাঁধন:: করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে কিছু সংখ্যক লোক ঘরে থাকলেও বেশির ভাগই মানছেনা সামাজিক দূরত্ব। চাটখিল পৌরসদর ও প্রধান সড়ক-মহাসড়কের পাশের এলাকাগুলোতে মানুষ কিছুটা জনসমাগম এড়িয়ে চলছেন। তবে অসচেতনতার কারণে গ্রামগঞ্জ ও এখানকার হাটবাজারগুলোতে সামাজিক দূরত্ব কিছুতেই যেন নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। এভাবে চলতে থাকলে চাটখিল উপজেলায় করোনা সংক্রমণ কমানো যাবে না বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত ১৭ মার্চ থেকে সারা দেশের মত চাটখিলের মানুষের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব সৃষ্টি এবং জনসমাগম বন্ধে চাটখিলে পুরোদমে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। সামাজিক দূরত্ব ও মানুষকে সচেতনতার কাজে পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ও ভিডিপির সদস্যদের সহযোগিতা করতে নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামেন সশস্ত্র বাহিনী। তবে শতভাগ সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে পরছে না প্রশাসন। এখন পর্যন্ত চাটখিলে শতার্ধিক লোক করোনায় আক্রান্ত এবং  এদের মধ্যে মারাও গেছেন ৫জন।

চাটখিল বাজারের একটি রাস্তায় মানুষের ভিড়সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, পৌরসদর চাটখিলবাজার থেকে শুরু করে গ্রামের রাস্তায় মানুষের ভিড় রয়েছে। বিশেষ করে ইউনিয়নভিত্তিক গ্রামগঞ্জ এবং হাটবাজারগুলোতে ভিড় বেশি। প্রশাসন থেকে সামাজিক দূরত্ব কমানোর উদ্দেশ্যে জনসমাগম বন্ধের আহ্বান জানানোর পরও মানুষের পদচারণা কমছে না।

ইউনিয়ন গুলো ঘুরে দেখা গেছে, লকডাউন অমান্য করে যানবাহন চলছে স্বাভাবিকভাবে। ইউনিয়নের বেশিরভাগ বড় কাঁচাবাজারে এখনও মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। তবে প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা টহলে আছেন।

প্রশাসন থেকে প্রতিনিয়ত বলা হচ্ছে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য। নেওয়া হচ্ছে নানা ধরনের সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড। তারপরও বিপদগামী মানুষ চাটখিল উপজেলাকে দিন দিন করোনার ঝুঁকিতে ফেলছেন।

প্রসাশনিক ভাবে বলা হয়েছে, ‘আমরা উপজেলার সব মানুষকে সচেতন করার জন্য নানা পদক্ষেপ নিয়েছি। এসবের বাস্তবায়নও করছি। তবে এতকিছুর পরও মানুষের অসচেতনতা দেখলে খারাপ লাগে। তারা আরো বলেন, আপনারা সচেতন হন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সহযোগিতা করুন।’