চাটখিলে ছাত্রলীগের আদর্শ দিদারুল আলম

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। জন্মের পর থেকে ছাত্রলীগের বিশাল সংগঠনটি বাংলাদেশ গড়ার কারিঘর হিসেবে তাদের কার্যক্রম চালালেও বর্তমান কিছু ছাত্রলীগ নামীয় অ-ছাত্রের আচারনে দিনে দিনে সংগঠিত ছাত্রলীগ পড়তে হচ্ছে বিভিন্ন বাঁধার মূখে। যে ছাত্রলীগ একদিন মানুষের উপকারে নিবেদিত প্রাণ ছিল, সেই ছাত্রলীগের হাতেই আজ নিরাপত্তাহীন মানুষ। এতো কিছুর পরেও এমন অনেক ছাত্রলীগ নেতাকর্মী এখনও আছে যাদের কারণে ছাত্রলীগের দীর্ঘদিনের সুনাম অক্ষূণ্য হয়ে আছে। দিদারুল আলম, চাটখিল পৌরসদরের মিঝি বাড়িতে তার জন্ম, পিতা-রফিক উল্যা ও মাতা- রৌশনআরা বেগমের ৪সন্তানের ছোট দিদারুল আলম। চাটখিল আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষে, চাটখিল পৌরসভার ভীমপুর বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কারিগরি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হয়। মাধ্যমিক বিদ্যালয় শুরু করা পর থেকে শুরু হয় রাজনীতিক ক্যারিয়ার। ২০০১ সালে পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি দিয়ে ছাত্র রাজনীতি শুরু। দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে ২০০৩ সাল থেকে ৬ বছর ২০০৯ সাল পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব নেন চাটখিল পৌরসভা ছাত্রলীগের। পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি থাকার পরও সাংগঠনিক কিংবা বিরোধী দলের নেতাকর্মী, জন সাধারণের কোন অভিযোগ তার বিরোদ্ধে নেই। শুধু দলীয় নেতাকর্মী এবং মানুষের ভালোবাসা টুকুই তার প্রাপ্যতা। পরবর্তীতে ২০১৩-১৭ দীর্ঘ ৫বছর নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন দিদারুল আলম। সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, নোয়াখালী জেলা শাখার দায়িত্ব পালন করে দিদারুল আলম আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের কাছে একটি আদর্শ ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে পরিচিত হয়েছেন। সাংস্কৃতিক অঙ্গনে দিদারুল আলম একজন আদর্শ পরিচালক ও অভিনেতা। চাটখিল ফ্রেন্ডসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম উপজেলার বিভিন্ন জাতিয় দিবসে সাংস্কৃতিক অঙ্গন, নাটক পরিচালনায় সহযোগীতা ও অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিত একটি মূখ। ক্রীড়াঙ্গনে রয়েছে এ সংগঠনটির সফলাতার পিছনে রয়েছে তাঁর বিশাল অবদান। দীর্ঘছাত্রলীগের দায়িত্ব থাকা দিদারুল আলম চাটখিলবার্তার অনলাইনকে বলেন, রাজনীতি হচ্ছে মানুষের উপকারে, ছোট জীবনে মানুষের সহযোগীতা আর ভালোবাসাটুকু নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই।