চাটখিলে গৃহবধূ হত্যার অর্ধমাস পার হলেও আসামী লাপাত্তা !!!

ঈদুল ফিতরের পরের দিন চাটখিল উপজেলায় স্বামীর হাতে নৃশংসভাবে খুন হওয়া তরুনী গৃহবধু প্রিয়ার খুনি আল আমিন এখনো ধরা ছোঁয়ার বাহির। খুনের ১৩ দিন পার হলেও তাকে গ্রেফতার করতে না পারায় উপজেলার সর্বোত্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ নিয়ে পুলিশের ব্যর্থতায় নানা রকম পোস্ট দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশও করতে দেখা যাচ্ছে অনেককে। প্রিয়ার বাবা ননা মিয়া তার মেয়ের খুনি আল আমিনকে গ্রেফতারে পুলিশের অবহেলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে জানান, কয়েকদিন আগে খুনি আল আমিন তার এক আত্নীয়ের বাড়িতে অবস্থানের কথা তিনি জানতে পেরে মামলার তদন্তকারী পুলিশের এসআই নাজিম উদ্দিনকে তাকে গ্রেফতারের অনুরোধ জানিয়ে ফোন কল দেন। কিন্তু নাজিম উদ্দিন সময় মত ওই এলাকায় না যাওয়ায় খুনি আল আমিন সেখান থেকে নিরাপদে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। চাটখিল থানায় অতি সম্প্রতি যোগ দেয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইয়ামুল হক পিপিএম প্রিয় নোয়াখালীকে বলেন,আমরা খুনি আল আমিনকে ধরতে সর্বোচ্ছ চেষ্টা করছি। আমরা তাকে গ্রেফতারে প্রযুক্তির সহযোগীতাও নিতে যাচ্ছি। আশা করছি খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাকে আটক করতে পারবো। নোয়াখলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিল সোহাগ এতগুলো দিন পার হলেও খুনি আল আমিনকে গ্রেফতার করতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিলম্বে খুনিকে গ্রেফতারের দাবী জানান। প্রসঙ্গত যে, ১৭ জুন প্রিয়াকে কেনাকাটা করে দেবার নাম করে বাবার বাড়ি উপজেলার নোয়াখলা ইউনিয়নের সাত্রাপাড়া গ্রাম থেকে মোবাইলে ঢেকে নিয়ে রাস্তার মধ্যে প্রিয়াকে উপর্যপরী কুপিয়ে প্রিয়াকে খুন করে তার স্বামী উপজেলার শাহপুর ইউনিয়নের সোমপাড়া গ্রামের আল আমিন। জানা যায়, প্রায় ৮ বছর আগে প্রিয়ার বড় বোন পাখির সাথে আল আমিনের বিয়ে বিয়ে হয়। সন্তান জন্ম দেয়ার সময় পাখির মৃত্যু হলে পাখির শিশু সন্তানকে লালন পালনের সুবিধার্থে প্রিয়াকে আল আমিনের সাথে বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের পর খেকে আল আমিন যৌতুকের জন্য প্রিয়াকে মারধর করতো। তাই প্রিয়া প্রায়ই বাবার বাড়িতে অবস্থান করতো।