চাটখিলে আধিপত্য শুধু তাদেরই!!!

মাইনউদ্দিন বাঁধন : নোয়াখালী সবচাইতে ছোট উপজেলা চাটখিল। ১৯৯৫ সালে উপজেলায় কিছু অংশ নিয়ে ৯টি ওয়ার্ড ধারা গঠিত হয়েছে চাটখিল পৌরসভা। উপজেলার ২লক্ষাধীক ভোটার থাকলেও বেশির ভাগই থাকে শহর কিংবা বিদেশে। চাকুরী কিংবা পড়া লেখা, ব্যবসায় কিংবা ব্যক্তিগত কাছে শহর কিংবা দেশের বাহিরে থাকায় অনেক পুরুষ শুধু তাদের স্ত্রী- সন্তান দ্বারা প্রভাবিত নয় বরং স্ত্রী-সন্তানের উপর অনেকটাই নির্ভরশীল। আর এই সুযোগটা ব্যবহার করছে সমাজপ্রতি এমনকি সমাজের নীতি নির্ধারনকারী নামে কিছু অসামাজিক ব্যক্তি। সমাজের কিছু অশিক্ষিত, রাজনীতিক ব্যক্তি আর ভোট করে হেরে গেলেও তারা হয় জন প্রতিনিধি। সব মিলিয়ে এসকল লোকেরা সমাজে করে চামচামী কিংবা বিচারের নামে ভন্ডামী। সব মিলিয়ে চাটখিলের সমাজটাকে অনেকটাই গ্রাস করে পেলেছে এসকল ভন্ড সমাজ প্রতিরা। বাচ্চা থেকে শুরু করে যুবকদের হাতে বইয়ের বদলায় ধরিয়ে দিচ্ছে নেতাদের পোষ্টার, ড্রিংকয়ের নামে নেশা, সিগারেট খাওয়া শিখানোর আগেই দেয় গাজা কিংবা ইয়াবা। এভাবে ধীরে ধীরে নিপাত হতে চলছে চাটখিল উপজেলার ইতিহাস। চাটখিলে বিভিন্ন স্থানে খবর নিয়ে জানাযায়, এসকল সামাজপ্রতি ব্যক্তিরা শুধু কোন নিদিষ্ট দলের নয় এরা সমাজে পরিচিত হচ্ছে দলের ক্ষমতাসীনদের শালা, ধুলাভাই, মেয়ের জামাই, চাচাতো, মামাতো, ফুফাতো, ধর্মের কিংবা আত্নীয়তার ভাই। কোথায় কোন অসৎ কাজে ধরা খেলেই ক্ষমতাসীনদের নাম ভাঙ্গীয়ে দে-দার চালায় অপর্কম। এসকল কর্র্মের দোষ এক সময় হয়তো ক্ষমতাবান নেতা কিংবা প্রকৃত ব্যক্তিকে নিতে হয়। পেতে হয় অপরাধের শাস্তি কিন্তু এর আগেই আগুনে পড়ার আগেই ধুঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে চাটখিলের সমাজ ব্যবস্থা। মাদকে গ্রাস করছে চাটখিলের যুব সমাজ, মা হারাচ্ছে তার ছেলের থেকে নম্য ব্যবহার, বাবা হারাচ্ছে ছেলেকে শাষনের ক্ষমতা, ভাই হারাচ্ছে ভাইয়ের প্রতি স্নেহ ভালোবাসা। আর চাটখিলের সকল অধিপত্য শুধু তাদেরই যারা চামচামী করে ভেঙ্গে তছনছ করছে চাটখিলের সমাজ ব্যবস্থা।