চাটখিলের হাঁটপুকুরিয়াঃ রাস্তাতো নয় যেন চাষের জমি!!

বিশেষ প্রতিনিধিঃ  হাঁটু পরিমাণ কাঁদা। মাঝে মাঝে জমানো পানি। ১৯৯৮ সালের বন্যার পর রাস্তার এমন অবস্থা অনেকটা থাকলেও এই রাস্তাটা আরো খারাপ। রাস্তাটা দিয়ে, চাটখিল উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের মসজিদের মুসল্লী, সাধারণ জনগন সহ স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদের হাঁটু সমান কাঁদা ভেঙ্গে চলাচল করতে হয়। এটি উপজেলার ৭নং হাঁটপুকুরিয়া ঘাঁটলাবাগ ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের নারায়ণ পুরের রাস্তা । একটু বৃষ্টিতেই কর্দমাক্ত হয়ে ওঠে নারায়নপরের রাস্তা। কাঁদার মধ্য দিয়েই চলাচল করতে হয় ওই এলাকার ৫টি মসজিদের মুসল্লী ও ২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীসহ এলাকার সাধারণ বাসিন্ধাদের । হাঁটু সমান কাঁদা ভেঙ্গে চলাচলের এমন দৃশ্য এখন চাটখিল উপজেলার কয়েকটি গ্রাম ছাড়া আর কোথাও দেখা যায় না।

সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়ায় দেশের সর্বত্র লেগেছে।
পুর্ব-পশ্চিমের রাস্তার দৈর্ঘ্য ১ কিমি, উত্তরে কালিতলা আধা কিমি। পূর্বদিকে আঞ্চলিক পাকাসড়ক। রাস্তার পশ্চিম অংশে কয়েক হাজার লোকের বসবাস। ওই এলাকার বাসিন্দাদের স্কুল-কলেজ,মাদ্রাসা ও উপজেলা সদরে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা এটি।
হাঁটুসমান কর্দমাক্ত হয়ে নারী-পুরুষ, শিশু ও অসুস্থ রোগী নিয়ে চলাচলে এলাকাবাসীর চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা চাটখিলবার্তাকে বলেন, চাটখিল উপজেলায় মধ্যবর্তী এলাকার রাস্তার অবস্থা এরকম। আমাদের এ রাস্তাটি জনপ্রতিনিধিদের চোখে পড়ে না।আমরা এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি চাই। শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীর চলাচলে দুর্ভোগের আর সীমা নেই।