চাটখিলের সন্ত্রাস মাদক বিরোধী অভিযানে জিরো টলারেন্সে এস আই জাকির হোসেন

মাইনউদ্দিন বাধঁন : চাটখিলে মা’দক-স’ন্ত্রাস নিমূলে এসআই জাকির হোসেনের ”অপারেশন জিরো টলারেন্স” চাটখিল থানার এসআই জাকির হোসেন চাটখিল থানায় যোগদানের পর হইতে চাটখিল থানাধীন এলাকায় অ’স্ত্র, মা’দক উ’দ্ধার ও খু’নিদের গ্রে’ফতারসহ বিভিন্ন মা’মলার রহস্য উদঘাটনে কর্মতৎপরতা এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে অপরাধ দমনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন।

তিনি মা’দক ব্যবসায়ী, খু’নি ও অ’স্ত্রধারীদের সাথে কখনো অপোষ করেন নাই। চাটখিল থানাধীন ৭নং হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এইচ.এম বাকী বিল্লাহ সাংবাদিকদের জানান যে সত্যিই আমরা পুলিশের দোষটাই ধরি, তাদের ভালো কাজের মূল্য দিই না। সেনাবাহিনীরা যে শ্রদ্ধা পায় পুলিশেরও সেটা পাওয়া উচিত। আমার ইউনিয়নে এসআই জাকির হোসেন দায়িত্ব থাকাকালে চাটখিল উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম হইতে অ’স্ত্র, মা’দক উ’দ্ধার ও খু’নিদের গ্রে’ফতার করা সহ তালিকাভূক্ত ও ওয়ারেন্টভূক্ত আসামীদের গ্রে’ফতারের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এসআই দায়িত্বরত অবস্থায় এলাকায় চু’রি ছামারি ছি’নতাই, ডা’কাতি, মা’দক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপকর্মের পরিমাণ কমে যায়। অফিসার এসআই জাকির হোসেন আমার জানামতে কোনো অভিযোগ ফেলে তাহার তদন্তকালে উভয় পক্ষকে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে বসাইয়া সুন্দর ভাবে মিমাংসা করিয়া দেন। এতে করে এলাকায় ঝগড়া-বিবাদ ও মা’মলা মোকদ্দমা কমিয়া যায়। অর্থের প্রতি তাহার কোন লোভ লালসা দেখি নাই এবং থানায় কোন মা’মলা হইলে তাৎক্ষণিক পুলিশি কার্যক্রম শুরু করেন।

এসআই জাকির তাহার কর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কর্মকে তিনি বড় করে দেখেন। এসআই জাকির হোসেন এর মত পুলিশ অফিসার প্রত্যেক জেলার থানাতে থাকার দরকার বলে জানান।

সাংবাদিকদের তথ্যে আরো জানা যায় ২০১৩,২০১৪ ও ২০১৫ সালে বি.এন.পির ডাকে হরতাল অবোরোধ চলাকালে নোয়াখালী জেলার সুধারামধীন এলাকায় পৌরবাজারসহ বিভিন্ন জায়গায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করে এসআই জাকির হোসেন।

এসআই জাকির হোসেন ১৯৯৭ ইং সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে কনষ্টোবল পদে যোগদান করেন। তাহার কর্ম দক্ষতার ও যোগ্যতার বলে ২০১০ সালে এ.এস.আই পদে পদোন্নতি হয়। ২০১৭ সালে আবারও কর্ম দক্ষতার ও যোগ্যতার বলে তিনি এস.আই পদে পদোন্নতি হয়।

২০১০ সালে নোয়াখালী জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্টে চাটখিল ও সেনবাগ আদালতে জি.আর.ও হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর সুধারাম ও কবিরহাট কোর্টে জি.আর.ও হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০১৭সালে পদোন্নতির পরপরে সদর জি.আর.ও কোর্টের সি.এস.আই হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। সদর কোর্ট থেকে কক্সবাজার জেলায় বদলি হন। কক্সবাজার হইতে ২০১৮ সালের শেষ দিকে নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানায় যোগদান করেন।

চাটখিল থানায় ওয়ারেন্ট অফিসার হিসাবে দায়িত্ব পালনসহ ৭নং হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে ১ নং সাহাপুর ইউনিয়নের দায়িত্বে রইয়াছেন বলে জানা যায়। চাটখিল থানায় যোগদানের পর থেকে এসআই জাকির হোসেন মা’দক ও অ’স্ত্র উ’দ্ধার, অ’পহরণসহ বিভিন্ন মা’মলার রহস্য উদঘাটনসহ ওয়ারেন্ট তামিল করিয়া মাননীয় পুলিশ সুপার নোয়াখালী মহোদয় হইতে পরপর দুইবার পুরুষ্কার গ্রহণ করেন।

এসআই জাকির হোসেন ওয়ারেন্ট তামিল, স’ন্ত্রাসী গ্রে’ফতার, মা’দক ও অ’স্ত্র উ’দ্ধার অভিযান দেখিয়া চাটখিলের কিছু কিছু মা’দক ব্যবসায়ী এলাকা ছাড়া হইয়া জেলার বাহিরে অবস্থান করছে মর্মে চাটখিল এলাকাবাসী থেকে জানা যায়। ইহা ছাড়া চাটখিল উপজেলার সোমপাড়া বাজারের মা’দক ব্যবসায়ী মিলন কাজী ও রিয়াদ হোসেনকে গ্রে’ফতারের পর এলাকাবাসী মিষ্টি বিতরণ করেছেন।

এইদিকে সাংবাদিকদের জিজ্ঞসাবাদে এসআই জাকির হোসেন জানান সেবাই পুলিশের ধর্ম, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বাংলাদেশ পুলিশ দিয়ে আসতেছে। আমরা জনগণের সুখ শান্তি, ও এলাকার শৃংখালা বজায় রাখার জন্য সর্বদা চেষ্টায় আছি ও থাকবো।

এইদিকে চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, চাটখিল স’ন্ত্রাসী, মা’দক ও ই’ভটিজিং নিমূলে পুলিশ অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে। এ বিষয় আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে জিরো টলারেন্স অবস্থানে আছি। আমাদের  উপ- পরিদর্শক (এসআই) দিনরাত চাটখিলের বিভিন্ন স্থানে কাজ করে যাচ্ছে। সে তার বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য এ পর্যন্ত এসআই জাকির হোসেন দুইবার শ্রেষ্ঠ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম আরো বলেন চাটখিল থানায় কর্মরত অবস্থায় ইভটিজিং, মা’দক ও স’ন্ত্রাসীর সাথে কোনো প্রকার আপোষ করি নাই, স’ন্ত্রাসী ও মা’দক ব্যবসায়ী যে হোক না তাকে আইনের আওতায় আনিয়া বিচারের মুখোমুখি করা হবে। অপরাধী কখনো পুলিশের বন্ধু হতে পারে না।

তিনি আরো চাটখিল থানায় কোন প্রকার জি.ডি, অভিযোগ রেকর্ড করিতে কোনো টাকা পয়সা নেওয়া হয় না। কেউ আমার বা অফিসারের নাম দিয়ে টাকা পয়সা চাহিলে সাথে সাথে এই অপরাধীকে আ’টক করে মোবাইলে জানানোর আহব্বান করেন। বাংলাদেশ পুলিশ জনগণ কে সেবাই দিয়া আসতেছেন। তিনি অপরাধ দমনে জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।

সংগ্রহীত