কৃষিতে আধুনিকায়ন ও বাণিজ্যিকীকরণে মধু উৎপাদন,

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, কৃষিতে আধুনিকায়ন ও বাণিজ্যিকীকরণে মধু নতুন সংযোজন। আগে দেশে মধু সীমিত পরিমাণে উৎপাদন হতো। এখন বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হয়েছে। এ পণ্য আমাদের রফতানি বহুমুখীকরণে সহযোগিতা করবে। সোমবার রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) চত্বরে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় মৌ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের মধু জাপানে রফতানি হচ্ছে। এ বছর ৪শ’ টনের অর্ডার পাওয়া গেছে। এটা আমাদের জন্য খুশির খবর। মধু উৎপাদনের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখন নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে মধু উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাত করছেন।

তিনি বলেন, ‘কৃষিক্ষেত্রে আমাদের অসাধারণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। দানাদার খাদ্যে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ। আলুতে আমরা উদ্বৃত্তে রয়েছি। আমরা যদি বিশ্ব বাজারে গ্যারান্টি দিতে পারি। এ মধু জাপান ছাড়াও অন্যান্য দেশে রফতানি করা যাবে।’

মেলা উপলক্ষে এদিন বিএআরসি অডিটোরিয়ামে ‘পুষ্টি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য মৌ-চাষ’ বিষয়ক সেমিনারে অনুষ্ঠিত হয়। এ সেমিনারেও যোগ দেন কৃষিমন্ত্রী। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুল মুঈদের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামান ও বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন উইংয়ের সাবেক পরিচালক ড. সৈয়দ নূরুল আলম।

স্বাাগত বক্তব্য দেন, ডিএইর হর্টিকালচার উইংয়ের পরিচালক মো. কবির হোসেন। চতুর্থবারের মতো এ মেলার আয়োজন করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। মেলা চলবে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এবারের মেলায় ৬টি সরকারি ও ৬৮টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ৭৪টি স্টল রয়েছে। সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সর্ব সাধারণের জন্য মেলা উন্মুক্ত