করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে অর্থ বিভাগ।

গতকাল বুধবার বরাদ্দের বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়। এর আগে করোনা ভাইরাসের প্রভাব মোকাবিলায় ১০০ কোটি টাকার বরাদ্দ চায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হলো।

অর্থ বিভাগের তরফ থেকে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ও আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য অর্থ বিভাগের অপ্রত্যাশিত ব্যয় ব্যবস্থাপনা খাত থেকে এই ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলো। প্রয়োজন সাপেক্ষে পরে আরও অর্থছাড় করা হবে। ৫০ কোটি টাকার মধ্যে কোন খাতে কত টাকা ব্যয় করা যাবে, সেটিও বলে দিয়েছে

অর্থ বিভাগ। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসা ও শল্য চিকিৎসা সরঞ্জামাদি সরবরাহ বাবদ ব্যয় করতে হবে ৪৫ কোটি ৫১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। জনসচেতনায় প্রকাশনা কাজে ব্যয় করতে হবে ১ কোটি ৯৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া কেমিক্যাল-রি-এজেন্ট খাতে ব্যয় করতে হবে ২ কোটি ৫০ হাজার টাকা।

বরাদ্দকৃত এ অর্থ ব্যয়ে কিছু শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এগুলো হচ্ছে অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট-২০০৬ এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস-২০০৮ অনুসরণসহ যাবতীয় সরকারি আর্থিক বিধিবিধান যথাযথভাবে পালন করতে হবে। এ অর্থ প্রস্তাবিত খাত (করোনা ভাইরাস) ছাড়া অন্য কোনো খাতে ব্যয় করা যাবে না। এ অর্থ চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের সংশ্লিষ্ট খাতে সমন্বয় করতে হবে। এই খাতের অর্থ অন্য খাতে পুনঃউপযোজন বা স্থানান্তর করা যাবে না। অব্যয়িত অর্থ (যদি থাকে) ৩০ জুন ২০২০ তারিখের মধ্যে ফেরত দিতে হবে। এ ছাড়া অর্থ ব্যয়ের ১০ দিনের মধ্যে কোন কোন খাতে তা খরচ হয়েছে তার বিস্তারিত জানাতে হবে অর্থ বিভাগকে।

এ অর্থ পুনঃউপযোজনের পর চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের ‘সাধারণ থোক বরাদ্দ’ খাতের বরাদ্দ শূন্য হয়ে যাবে।