করোনার মহামারী এখন চাটখিল নতুন করে আক্রান্ত ৬ মোট ১১জন

স্টাফ রিপোর্টারঃ করোনার কেন্দ্রবিন্দু হতে যাচ্ছে নোয়াখালী জেলার সবচেয়ে ছোট উপজেলা চাটখিল। সারা বাংলাদেশে যে হারে বাড়ছে তার মধ্যে সবচাইতে মহামারী আকারে বাড়ছে চাটখিলে। বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, গত কয়েক দিনে চাটখিলে একজন দুজন করে বাড়লেও আজ একদিনে ৬জন কারোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে চাটখিলে মোট করোণা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে ১১জন। এদের মধ্যে দুজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও ৯জনের অবস্থা এখনো হাসপাতালে বা আইসলিউশন। গত কয়েকদিন থেকে স্থানীয় পত্রিকা চাটখিলবার্তার বিভিন্ন প্রতিবেদন এর জের ধরে স্থানীয় প্রশাসন বিভিন্ন অভিযান চালিয়ে মানুষকে নিয়ন্ত্রণে নেওয়া কঠিন হচ্ছে বলে জানা যায়।
এদিকে চাটখিল থানা অফিসার ইনচার্জ আনোয়ারুল ইসলামের দায়িত্বশীল আচরণে চাটখিল বাজারসহ ইউনিয়নের অন্যান্য বাজারের দোকানপাট এবং জনগণের উপস্থিতি বেশি এমন জায়গাগুলোকে অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখলেও। গত ১২,১৩ ও ১৪ মে হঠাৎ করে চাটখিল বাজারে সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দোকানপাট খোলা শুরু করে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। ১৫ তারিখ আবার নোয়াখালীর ডিসি তন্ময় দাসের লিখিত আদেশের মাধ্যমে বাজারের দোকান বন্ধ করার রাতেই এমন দুঃসংবাদ চাটখিলের মানুষের জন্য অনেকটাই ভীতিকর অবস্থা সৃষ্টি করবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে ১৫তারিখ প্রশাসনের শক্ত অবস্থানের কারণে বিভিন্ন দোকানের শাটার খুলে ভিতর থেকে মানুষকে বের করা হয়।
তবে থানা পুলিশ কিংবা প্রশাসনের বরাবর এই অভিযোগ, যতক্ষণ না পর্যন্ত মানুষ নিজে সচেতন না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন কাজ হবে বলে মনে করেন তারা।
এদিকে বাজারে দোকান খোলার কথা শুনেই, ইউনিয়নের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ঈদ শপিংয়ে মানুষের ব্যস্ততা পূর্বের ঈদ শপিং এর ন্যায় শুরু হয়ে গিয়েছে।
ঈদ শপিংয়ে আগতদের জিজ্ঞেস করা হলে তারা বলেন, আমরা মুরুব্বী হয়ে গেছি। আমাদের তো আর ঈদ নেই। কিন্তু ছোট ছোট বাচ্চাদের অবশ্যই ঈদের পোশাক কিনতে হবে।