করোনার এই সময়ে মানুষের পাশে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছিঃ ডাঃ রুবাইয়াত ইসলাম

মাইনউদ্দিন বাঁধনঃঃ দেশে যখন করোনার মহামারী, মানুষ যখন দিশেহারা। একটুখানি বাঁচার আকুতি নিয়ে মানুষ যখন হাসপাতালের পর হাসপাতাল ঘুরে পাচ্ছেনা চিকিৎসা! তখনই যুবকের অহংকার এবং চাটখিলের কৃতিসন্তান ডাক্তার সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

করোনার মহামারীতে মানুষের সেবার জন্য প্রস্তুত ডাক্তার সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একদল অভিজ্ঞ চিকিৎসক।

এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাক্তার রুবায়েত ইসলাম নিয়েছেন একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। খুলেছেন ”করোনা ইউনিট”। দেশের শীর্ষস্থানীয় বিলাস বহুল হাসপাতাল ঢাকাস্থ ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় করোনা কেয়ার ইউনিট চালু করেছেন। এ বিষয়ে চাটখিলবার্তাকে ডাক্তার রুবাইয়াত ইসলাম বলেন, করোনার মহামারী থেকে মানুষ মুক্তি পাবেই। করোনা মোকাবেলা অনেকটা কঠিন হলেও ” করোনার এই সময়ে মানুষের পাশে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছি আমরা। হাসপাতালের প্রত্যেকটি ডাক্তার, নার্স এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ দের নিয়ে একটি টিম গঠন করি। করোনার মহামারীতে মানুষের পাশে থেকে সেবা দিবে একদল অভিজ্ঞ ডাক্তারবৃন্দ। তিনি আরো বলেন, প্রয়াত ডাক্তার সিরাজুল ইসলাম পেশায় একজন ডাক্তার হলেও তিনি সর্বদাই মানুষের সেবা করেছিলেন। মানুষের সুখ দুঃখকে তিনি সবসময়, নিজের সুখ দুঃখ মনে করতেন। আমি মরহুম ডাক্তার সিরাজুল ইসলামের ছেলে হিসেবে বাবার মতো করে মানুষের সেবা করতে চাই। কারোনার মহামারিতে যেন একটি মানুষও বিনা চিকিৎসায় মারা না যায়। সেজন্যই আমাদের এমন উদ্যোগ। আল্লাহর সহায়তা এবং দেশবাসীর দোয়া থাকলেই আমরা অনেক দূর এগোতে পারব বলে মনে করি।

ডাঃ সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হসপিটালে সুসজ্জিত কারোনা ইউনিট।

হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক করোনা রুগীদের চিকিৎসায় হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা রুবাইয়াত ইসলামের নেতৃত্বে এই ইউনিট প্রস্তুতির কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে বেসরকারি উদ্যোগে রোগীদের সার্বিক সেবা প্রদানের জন্য প্রস্তুত হাসপাতালের করোনা কেয়ার ইউনিট। সুমনা গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট (এমডি, সদর দপ্তর) অ‍্যাডভোকেট ইয়াছিন করিম। তিনি সর্বদায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন কথা হয়েছে তার সাথে, বলেছেন হাসপাতালে বিভিন্ন দিকের কথা। ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল আন্তর্জাতিক মানের সেবা প্রদানে সর্বদা বদ্ধ পরিকর। কোভিড রোগীদের সাথে হাসপাতালের সাধারণ সেবা কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে, নন-কভিড রোগীরাও পূর্বের ন্যায় চিকিৎসা পাবেন।